Review Of All Quentin Tarantino Films – Movie Link Store BD
Night Mode:

Review Of All Quentin Tarantino Films

💥 Review Of All Quentin Tarantino Films 💥

Movie Poster
Movie Poster
হলিউডের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী ডিরেক্টর কুয়েন্টিন ট্যারেন্টিনো।
তার অরিজিনাল ও ইউনিক ফিল্মমেকিং স্টাইল দ্বারা তিনি সিনেমা ভক্তদের সহজেই আকৃষ্ট ও বিমোহিত করে আসছেন।
ট্যারেন্টিনো মূলত পরিচিত তার আল্ট্রা ভায়োলেন্ট স্টোরী লাইনের জন্য।
দুই ধরণের মানুষদের ট্যারেন্টিনোর মুভি ওভাররেটেড মনে হয়। প্রথমত যাদের ড্রামা ফিল্ম ভালো লাগেনা এবং দ্বিতীয়ত যারা ভায়োলেন্সফুল সিনেমা সহ্য করতে পারেনা।
তার সিনেমাতে চিত্তগ্রাহী ভায়োলেন্স বিশেষ জায়গা পেলেও সেটার উপরই ফিল্মের পুরো নির্ভরতা থাকেনা।
Cannibal Holocaust, A Serbian Film, Human Centipede সহ অনেক ফিল্মেই মাত্রাতিরিক্ত ভায়োলেন্স রয়েছে, তবুও সেগুলো ট্যারেন্টিনোর ফিল্মগুলোর মত এত প্রশংসিত হয়না, মাষ্টারপিস তকমাও পায়না।
কারণ গরসাম ক্লাইম্যাক্সের আগে তার ডায়লগ ড্রিভেন মুভিগুলো ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট, স্টোরী বিল্ডাপ, ইন্টেনসিটি ক্রিয়েট, পপুলার কালচারের যথার্থ ব্যবহার সহ নানা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়, এরপরই সেই ভায়োলেন্সপূর্ণ ফিনিশিং আসে।
ট্যারেন্টিনোর আরেকটা বিশেষত্ব তার চলচ্চিত্রে অনেক উপাদানের সংমিশ্রণ ঘটালেও সেগুলো খিচুরীতে পরিণত হয়না।
হঠাৎ মনক্রোম বা সাদাকালো শটে শিফট করা, এনিমে সিকুয়েন্সে যাওয়া, একটি দৃশ্য কয়েকটি এঙ্গেলে দেখানো, ফিল্মকে বিভিন্ন চ্যাপ্টারে ভাগ করা বা নন-লিনিয়ার সিস্টেমে অগ্রসর হওয়া – এসবই তার ফিল্মকে ধাপে ধাপে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে থাকে এবং সবশেষে বেরিয়ে আসে একটি অভিনব ক্লাসিক মুভি।
তার ফিল্মে হিরো কিংবা ভিলেন কে কখন আলুভর্তা হয়ে যাবে তার ঠিক নেই।
আর বিলম্ব না ঘটিয়ে ট্যারেন্টিনোর ফ্যান্টাস্টিক ফিল্মোগ্রাফী পরিভ্রমণ শুরু করা যাক।
Movie Poster
🎂 My Best Friend’s Birthday (1987) 🎂

ট্যারেন্টিনোর ডিরেক্টর হিসেবে যাত্রা শুরু ৩৬ মিনিটের এই সাদা-কালো শর্টফিল্ম দ্বারা।
সেসময়ে তিনি সিডি বা ক্যাসেট ভাড়া দেবার দোকানে কাজ করতেন। ফিল্মটি তিনি ডিরেক্ট করা, স্টোরী লেখা, এডিট করা থেকে শুরু করে ফিল্মটিতে অভিনয়ের কাজটিও করেছেন।
অরিজিনাল ভার্সন ৭০ মিনিটের হলেও ফিল্ম ল্যাবে আগুণ লাগায় অনেকখানি অংশ পুড়ে যায়। প্রেমে ছ্যাক খাওয়া বন্ধুকে আরেক বন্ধুর স্মরণীয় জন্মদিনের উপহার দেয়া নিয়েই ফিল্মটির কাহিনী। এর উপরই ভিত্তি করে True Romance নামক মুভিটি নির্মাণ করা হয়েছিলো যেটির স্ক্রিণপ্লে ট্যারেন্টিনোই লিখেছিলেন।
Movie Poster
🐶 Reservoir Dogs (1992) 🐶

ট্যারেন্টিনোর ফিচার ফিল্ম ডেবিউ এই রেজেভোয়া ডগসের মাধ্যমে।
মাত্র ১.৫ মিলিয়ন ডলারে নির্মিত কাল্ট ক্লাসিকটিকে অনেকে সর্বকালের সেরা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম হিসেবেও অভিহিত করে।
ট্যারেন্টিনোর সিনেমা ইতিহাসের অন্যতম পাওয়ারফুল ডেবিউ ফিল্মের কাহিনীতে একে অপরের সাথে সম্পূর্ণ অপরিচিত ছয় ক্রিমিনালকে একজন ক্রাইম বস দ্বারা এক ছাদের নিচে আনা হয় হীরার ডাকাতি করার জন্য। কিন্তু চুরী করায় কিছু জটিতলা দেখা দেয় এবং তারা বুঝতে পারে তাদের মাঝে আছে কোন গুপ্তচর। একে অপরকে সন্দেহ করতে থাকা উত্তেজনামূলক কাহিনীতে শেষমেশ কে চোরাগোপ্তা বের হয় এবং কে-ই বা টিকে থাকতে পারে সেটাই জানা যাবে ফিল্মটি দেখলে।
সুদক্ষভাবে পরিচালিত ও কুশলতা সহকারে রচিত স্ক্রিপ্ট নিয়ে ট্যারেন্টিনো ডেবিউতেই ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন।
Movie Poster
🕶 Pulp Fiction (1994) 🕶

নন-লিনিয়ার ফিল্মের জোয়ার শুরু হয় ট্যারেন্টিনোর এই অনবদ্য সৃষ্টির মাধ্যমে যা পরবর্তীতে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজে করেছে বহু সিনেমা নির্মাণের পিছনে।

“তুমি চরিত্রবান, তাই বলে এই নয় যে তোমার কোন চরিত্র আছে।” 😁
দুই পাগলা হিটম্যান, এক গ্যাংস্টারের ড্ৰাগ এ্যাডিক্টেড বৌ এবং ব্যর্থ এক বক্সার – প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন কাহিনী মিলিত হয় এক বিন্দুতে এই আঁকাবাকা পথে ঘুরা ক্রাইম ব্ল্যাক কমেডি ঘরনার ফিল্মটিতে।
এতে দুইশো পয়ষট্টিবার ‘Fuck’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যার বেশীরভাগই মহিমান্বিত করছেন স্যামুয়েল জ্যাকসন :3
এই ফিল্মকে ওভাররেটেড বলে লাগাতার হামলা করার বদ অভ্যাস অনেকেরই আছে। তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই কারণ এই ফিল্মের থেকে অনুপ্রাণিত ফিল্মগুলো দেখার পর এই আমলে এত পরে এসে ফিল্মটা দেখলে ওভাররেটেড মনে হতেই পারে।
এছাড়া শুরুতেই বলেছি কেনো ট্যারেন্টিনোর ফিল্মকে অনেকের তেমন মনে হয়।
ব্রিলিয়ান্ট ন্যারেটিভ স্টাইল, ক্যামেরার জবরদস্ত কারসাজী ও শক্তিশালী সব ক্যারেক্টারের মোহিত করা ডায়লগ ডিলেভারীতে ভরপুর চলচ্চিত্রটি নিয়ে যে যাই বলুক না কেনো সর্বকালের সেরা ফিল্মগুলোর লিষ্টে পাল্প ফিকশনের নাম সর্বদাই ঠাই পাবে।
Movie Poster
🏨 Four Rooms (1995) 🏨

চার ডিরেক্টর মিলে ফিল্মটির চারটি ভিন্ন ভিন্ন সেগমেন্ট পরিচালনা করেছেন।
এর মধ্যে টরেন্টিনোর The Man From Hollywood শীর্ষক সেগমেন্টটি হয় সবার শেষে যেটিতে অভিনয় অভিনয় করেছেন তিনি নিজেও।
নিউ ইয়ারের সেলিব্রেশনে মাতা হোটেলে টেডের অভিনয় প্লে করা টিম রথ তার জবের প্রথম দিনেই গেষ্টদের থেকে পাওয়া উদ্ভট সব আবদার ও কারবারীতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে। হোটেলের চার রুমের কাহিনী নিয়ে আবর্তমান ফিল্মটি প্রথম দিকে খারাপ লাগলেও পরে একটু হলেও ভালো লাগতে পারে।
Movie Poster
👩🏽 Jackie Brown (1997) 👩🏽

ছয় চালু খেলোয়াড় হাফ মিলিয়ন ডলারের পিছনে। প্রশ্ন হল কে কাকে খেলছে?

ফ্লাইট এ্যাটেন্ডেন্ট জ্যাকি ব্রাউন তার বসের জন্য টাকা স্মাগলিং করতে গিয়ে ধরা পড়ে পুলিশের কাছে। পুলিশ জ্যাকিকে ব্যবহার করে সেই বসকে ধরতে চাইলেই চোরে চোরে মাস্তুত ভাই না হয়ে চুরীতে কে কার বাপ সেটা প্রমাণে লেগে পড়ে সবাই।
স্যামুয়েল জ্যাকসন আর দে নিরো একসাথে থাকলে আর কি লাগে।
ট্যারেন্টিনোর সব ফিল্মেরই সাউন্ডট্র্যাক ভালো হলেও এই ফিল্মের ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজতে থাকা Across 110th Street, Midnight Confessions, Street Life এর মত গানগুলো আলাদা ধরণের সুখানুভূতি দেবে।
কিছু মিস করলে দুই গুন্ডার চিজবার্গার নিয়ে আলাপের দৃশ্যগুলো মিস করতে পারেন 😁
Movie Poster
⚔ Kill Bill (Vol. 1 & 2) ⚔

কিল বিল বানানোর চিন্তা ইউমা থারম্যান ও ট্যারেন্টিনো পাল্প ফিকশন বানানোর সময়েই করেছিলেন। শুটিং শেষ হবার পর প্রায় চার ঘন্টার দীর্ঘ ফুটেজ হলে দুই পার্টে বিভক্ত করা হয়। Kill Bill Vol. 1 ও 2 যথাক্রমে ২০০৩ এবং ২০০৪ সালে মুক্তি পায়। বেপরোয়া হত্যাকান্ড থেকে বাঁচা এক নববধূর প্রতিশোধের আগুণে ফাপা কাহিনীর প্রথম খন্ড দারুণ সব এ্যাকশন সিক্যুয়েন্সে চোখ ধাঁধাবে ও দ্বিতীয় খন্ড নিয়ে যাবে ইমোশনাল এক জার্নিতে। মেইন ক্যারেক্টারের নাম ভলিউম ১ এ রিভিলই করা হয় না, তা করা হয় দ্বিতীয় ভলিউমে ইউনিক স্টাইলে।
Movie Poster
🔫 Sin City (2005) 🔫

সিন সিটি এমন এক শহর যা নীতিভ্রষ্ট এবং যেখানে আনাগোণা ভগ্নহৃদয় ধারয়িতা মানুষদের। অসাধু পুলিশ এবং পতিতাদের রাজত্বে চলা শহর বললেও ভুল হবেনা। সেখানে কেউ ঘুরে প্রতিশোধের আশায়, কেউ মুক্তির সন্ধানে আবার কেউ বা দুটোরই কামনায়। অনুপযোগী কিছু বীর চেষ্টায় সঠিক কাজটা করার এমন শহরে যে শহর পরোয়া করেনা কাউকেই।
এটি ফ্র্যাঙ্ক মিলারের গ্রাফিক নভেল অবলম্বনে নির্মিত ক্রাইম মিষ্ট্রি এন্থোলজি ফিল্ম যেখানে চারটি একই থীমের শর্টফিল্মকে দর্শানো হয়েছে। ট্যারেন্টিনো মেইন ডিরেক্টর না হলেও একটি শর্টফিল্মের গেষ্ট ডিরেক্টরের ভূমিকা পালন করেছেন। চারটির মধ্যে কোনটিতে তিনি অন্তর্ভুক্ত সেটা ক্রেডিট সীন না দেখেই আন্দাজ করতে পারবেন কেননা সেটিই সবচেয়ে উত্তম ফিল্ম। কাষ্ট হিসেবে ব্রুস উইলিয়সের নাম সিনেমাটি দেখার কারণকে আরও বর্ধিত করে।
রবার্ট রগ্রিগেজ কিল বিল টু তে মাত্র এক ডলারের বিনিময়ে ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরে কাজ করেছিলেন বলে ট্যারেন্টিনোও এই ফিল্মের সেগমেন্টটি এক ডলারের বদৌলতেই পরিচালনা করেছিলেন।
Movie Poster
☠️ Death Proof (2007) ☠️

ডেথ প্রুফ মূলত Grindhouse নামক ডবল ফিচার ফিল্ম হিসেবে রিলিজ হয়েছিলো ভায়োলন্সপূর্ণ এক্সপ্লইটেশন ফিল্মগুলোকে ট্রিবিউট দেবার জন্য। গ্রাইন্ডহাইজে দুটি ফুল ফিচার ফিল্মের একটি রবার্ট রদ্রিগেজের ডিরেক্ট করা Planet Terror ও অপরটি ট্যারেন্টিনোর এই Death Proof। ফিল্ম দুটির মাঝে বিভিন্ন ফেইক ফিল্মের ট্রেইলারও দেখানো হয় যেগুলোর বেশীরভাগই অবশ্য পরবর্তীতে সত্যিকারের ফিল্মে রূপান্তর করা হয়। ডেথ প্রুফে রিয়াল লাইফে স্ট্যান্ট ডাবল হিসেবে কাজ করা জোই বেল নিজের আসল নামেরই ক্যারেক্টারে অভিনয় করেছেন ও ভালো স্ট্যান্টও দেখিয়েছেন। ডেথ প্রুফে কোন জিনিসটা মরণ রোধক ও তা মরণকে ঠেকাতে পারে কিনা সেটা যারা দেখেননি তাদের জন্য সাসপেন্সই রাখলাম।
Movie Poster
😈 Inglorious Bastards (2009) 😈

কিল বিল বানানোর আগে থেকেই এই সিনেমাটির স্ক্রিপ্ট নিয়ে ট্যারেন্টিনো কাজ শুরু করছিলেন কিন্তু মন মত এন্ডিং না খুজে পাওয়ায় এটা নিয়ে কাজ স্থগিত রাখেন।
ফিল্মটির প্রধান এন্টাগনিষ্ট কর্নেল হ্যানস্ লান্ডার চরিত্রটিতে অভিনয়ের জন্য যুতসই কাউকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিলোনা বিধায় ফিল্মটির বানানোর চিন্তা মাথা থেকে প্রায় ঝেরেই ফেলেছিলেন।
কিন্তু ক্রিস্টফ ওয়াল্টজের অডিশনের পর তা আর করতে হয়নি। পরে এই ওয়াল্টজই ট্যারেন্টিনোর ফিল্মের প্রথম অভিনেতা হিসেবে অস্কার জেতেন এবং জ্যাঙ্গো আনচেইনড ফিল্মেও সেটার পুনরাবৃত্তি ঘটান আবারো অস্কার জিতে।
ফিল্মটিতে কোনমতে ত্রিশ শতাংশ ভাষা ইংরেজী। সিংহভাগ জুড়েই রয়েছে ফ্রেঞ্চ ও জার্মান এবং খানিকটা ইতালিয়ান ভাষার ব্যবহার যা হলিউড ফিল্মের ক্ষেত্রে কখনো দেখা যায়না।
সিনেমাটির পটভূমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কে ঘিরে। নাৎসি বাহিনীদের দ্বারা অধিকৃত ফ্রান্সে ‘দি বাস্টার্ডস’ নামে পরিচিত একদল আমেরিকান ইহুদী সৈন্য ভীতি সৃষ্টি করে চুলসমেত নাৎসিদের মাথার খুলির ছাল চেঁছে ও নানা নৃশংস পন্থায় হত্যার মাধ্যমে। বিশেষ কারণে অ্যাল্ডো রেইনের অধীনে থাকা বাস্টার্ডসদের টার্গেটে আসে ফরাসী ইহুদী যুবতীর তত্ত্বাবধানে থাকা একটি মুভি থ্রিয়েটার।
ট্যারেন্টিনোর ইউনিভার্সে আপডেটেড ইতিহাসে নাৎসি ও হিটলারের শেষ পরিণতিটা দেখলে বাকরুদ্ধ হবেন সেটা বলাই বাহুল্য।
Movie Poster
🤠 ⛓ Django Unchained (2012) 🤠 ⛓

চলচ্চিত্রটির কাহিনী অগ্রসরমান হয় বাউন্টি হান্টার শাল্টজ এর সহযোগীতায় বিমুক্ত হওয়া ক্রীতদাস জ্যাঙ্গোর তার স্ত্রীকে এক বর্বর আবাদী জমির মালিকের বন্দি থেকে বাঁচানোর মিশন নিয়ে।
হিরোর রোল করতে অভ্যস্ত লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওকে ফিল্মটিতে ভিলেনের চরিত্রে আপনার প্রথমে একটু হজম না হলেও পরে ঠিকই তাকে ব্যাডঅ্যাস ভিলেন লাগবে। ট্যারেন্টিনো যতগুলো ক্যারেক্টার বানিয়েছেন তার মধ্যে শুধু লিওর ওই ক্যারেক্টারটাকেই তিনি আসল জীবনে ঘৃণা করেন। ক্যাপ্রিওর ক্যারেক্টারের প্রচুর গালিগালাজে ভর্তি ডায়লগ থাকায় তার খুব ইতস্তত বোধ হচ্ছিলো। তবে জ্যাকসন গালি দিয়ে দিয়ে তার জড়তা কাটিয়েছিলো 😆
খাবার টেবিলের সীনে দূর্ঘটনাবশত সত্যিই ডিক্যাপ্রিওর হাত কেঁটে রক্ত পড়তে থাকে, তবুও সে তার অভিনয় চালিয়ে যায়। এতে ফিল্ম ক্রুর সবাই তার জন্য দাঁড়িয়ে হাত তালি দেয়। ট্যারেন্টিনো মুগ্ধ হয়ে ওই সীনটাই ফিল্মে রেখে দেন।
জাঙ্গোর রোল করা জেমি ফক্স একজন গায়কও যিনি Kanye West এর সঙ্গে Golddigger নামক একটি জনপ্রিয় হিপহপ গান গেয়েছিলেন।
ফিল্মটি একশো ত্রিশ দিনে শুট করা হয়। ট্যারেন্টিনো আর কোন ফিল্ম শুট করতে এত সময় নেননি। একশো মিলিয়নে নির্মিত ফিল্মটি ট্যারেন্টিনোর সর্বোচ্চ বাজেটের মুভি। বক্স অফিসে ৪২৫.৪ মিলিয়ন কামাই করে তার সর্বোচ্চ আয়কৃত ফিল্মও এটি।
সিনেমাটিতে রেকর্ড ১১৬ বার N Word টি ব্যবহার করা হয়েছে।
অনেক আশা নিয়ে ফিল্মটি দেখতে বসে আপনার হাঁটুর হাড় ভেঙে গেলেও আশাহত হবার সুযোগ নেই।
Movie Poster
⛄ The Hateful Eight (2015) ⛄

প্রথমে ফিল্মটি জ্যাঙ্গো আনচেইনডের সিক্যুয়েল হিসেবে বের করার পরিকল্পনা ছিলো। স্ক্রিপ্ট অনলাইনে লিক হয়ে যাওয়ায় ফিল্মটি ট্যারেন্টিনো প্রথমে বানাতেও চাননি। পরবর্তীতে স্যামুয়েল জ্যাকসনের কথায় তিনি শেষমেশ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন। এতে সিনেমাটি হয়ে যায় ট্যারেন্টিনো ও জ্যাকসনের মধ্যকার ষষ্ঠ কলাবোরেশন।
ট্যারেন্টিনো দ্যা হেইটফুল এইটকে The Thing ফিল্ম দেখার পর তার যা অনুভূতি হয়েছিলো সেটাকে রূপকের মাধ্যমে এই ফিল্মে উপস্থাপন ঘটিয়েছেন বলে প্রকাশ করেছেন। দ্যা থিং এবং হেইটফুল এইট উভয় ফিল্মেই কার্ট রাসল অভিনয় করেছেন।

প্রবল তুষারঝড়ে দুই বাউন্টি হান্টার বের হয় আশ্রয়ের সন্ধানে কিন্তু পড়ে যায় বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণায় পরিপূর্ণ এক ষড়যন্ত্রের ফাঁদে।
সিনেমাটির কাহিনী বিল্ডাপে অনেক সময় নিলেও দ্বিতীয় হাফে থ্রিল ও সাসপেন্সে ভর্তি প্লট সেসব শোধ করে দেবে। না বললেই নয়, ফিল্মটিতে চতুর্থবারের মত এবং টানা তিন ফিল্ম ধরে ট্যারেন্টিনোর সিনেমার কোন ক্যারেক্টারের বীচিতে গুলি লাগে :3

Bonus Film!!!!
Movie Poster
💣 From Dusk till Dawn (1996) 💣

সিনেমাটির পরিচালনার দায়িত্বে না থাকলেও ফিল্মটির স্ক্রিণপ্লে লেখার সঙ্গে বড় একটা রোলেও অভিনয় করেছেন ট্যারেন্টিনো।
সেথ গেকো ও তার ছোট ভাই রিচার্ড টেক্সাসের একটি ব্যাংক থেকে চুরির পর রেয়েছে দৌড়ের উপরে। ম্যাক্সিকোর বর্ডার পেরিয়ে ডাউন টিল ডাস্ক নামক জায়গায় চুরিকৃত টাকার অংশীদারদের সঙ্গে তাদের মিলিত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সেখানে যা ঘটলো সেটার চিন্তা তাদের উন্মত্ত মস্তিষ্কতেও কখনো আসেনি।
ফিল্মটিতে ট্যারেন্টিনো যৌন নির্যাতনকারী ও পাগলাটে গুন্ডার চরিত্রটি ভালোভাবেই নিভিয়েছেন। কাল্ট ক্লাসিক এই মুভিটি প্রথমে থ্রিল দিয়ে এগিয়ে যায়, পরবর্তীতে ক্লাইম্যাক্সে যে পুরো জনরাই পাল্টে দেয়া টুইষ্ট আসে তা দেখে নির্ঘাত আশ্চারিয়াচাকিত যাবেন।

এছাড়াও ট্যারেন্টিনো Narutal Born Killer এর স্টোরী লিখেছেন যদিও ফিল্মটি তার কাছে জঘন্য লেগেছে।

এতো মাষ্টারপিস বানানো সত্ত্বেও অবাক করার বিষয় ট্যারেন্টিনো একটাও বেষ্ট ফিল্ম কিংবা বেষ্ট ডিরেক্টরের ক্যাটাগরীতে অস্কার পাননি!
তার ভাষায় বলাই যায়, “Tarantino Doesn’t Need Any Motherfukin’ Oscar To Prove How Fuckin’ Great He Is.” 😊

ট্যারেন্টিনোর পরবর্তী প্রোজেক্ট ডিক্যাপ্রিও, ব্র্যাড পিট ও আল পাচিনোর মত তারকাঠাকা কাষ্ট নিয়ে গঠিত Once Upon A Time In Hollywood. তিনি অনেকবারই উল্লেখ করেছেন দশটি ফিল্মের পরই অবসর নেবেন, সেই হিসাবে এটাই হতে যাচ্ছে তার শেষ ফিল্ম। তবে এও বলেছেন পনের বছরের বিরতি নিয়ে আবারও ফিরে আসতে পারেন। খুব করে চাই অবসরের চিন্তাটা যেন মাথা থেকে একদমই ঝেরে ফেলেন। সামনে ট্যারেন্টিনো আবারো পাহাড়সম এক্সপেক্টেশন দিয়ে আকাশচুম্বী ফলাফল উপহার দেবেন সেই কামনা ✌

💢💢 Yea$inful Review 💢💢

Movies You May Also Like

Pain & Gain (2013) Dual Audio [Hindi+English] Blu-Ray – 480P | 720P – x264 – 400MB | 1.1GB – Download & Watch Online

The Weather Man (2005) Dual Audio [Hindi+English] Blu-Ray – 480P | 720P – x264 – 300MB | 800MB – Download & Watch Online

Teenage Mutant Ninja Turtles: Out of the Shadows (2016) Dual Audio [Hindi+English] Blu-Ray – 480P | 720P – x264 – 350MB | 1.1GB – Download & Watch Online

10 Cloverfield Lane (2016) Dual Audio [Hindi+English] Blu-Ray – 480P | 720P – x264 – 400MB | 940MB – Download & Watch Online

Leave a Reply

Your email address will not be published.